প্রচ্ছদ > খেলা > ফুটবল

ফাইনালে উঠে ম্যারাডোনাকে স্মরণ করলেন মেসি

article-img

বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে থ্রি লায়ন্সদের ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে আলবিসেলেস্তেরা। প্রথমে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে নেন বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জয়ের পর আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি প্রয়াত দিয়েগো ম্যারাডোনাকে স্মরণ করেন মেসি। 

এই হারের মাধ্যমে ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেল। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) রাত ১টায় মেগা ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। 

ম্যাচশেষে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘লা নাসিওন’-এর মুখোমুখি হয়ে দলনেতা লিওনেল মেসি ইংল্যান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি দলের লড়াকু মানসিকতা এবং এই জয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। 

মেসি ইংল্যান্ডকে একটি ‘অসাধারণ দল’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘সেমিফাইনালের গুরুত্বের কারণেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা সবসময় বিশেষ কিছু। আমরা জানতাম ম্যাচটা কঠিন হবে। আমরা চেয়েছিলাম এই ম্যাচ জিতে সমর্থকদের আনন্দ দিতে এবং ফাইনালে পৌঁছাতে। 

আমরা দুর্দান্ত এক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছিলাম, যাদের দারুণ সব খেলোয়াড় এবং চমৎকার খেলার শৈলী রয়েছে। এই দলটিকে আমি ভালো করেই চিনি। কারণ বহু বছর ধরে তারা একটি নির্দিষ্ট ফুটবল দর্শন নিয়ে এগিয়ে চলেছে।’ 

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের দলের কেউই হারতে চায়নি। আর্জেন্টিনার সাধারণ মানুষের এই আনন্দের খুব প্রয়োজন ছিল। সমর্থকরা কোনোভাবেই ইংল্যান্ডের কাছে হার দেখতে চাননি। আমরা তা করে দেখাতে পেরেছি, ওদের টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দিয়ে আমরা আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে পা রাখলাম।’ 

আর্জেন্টিনার এই ঐতিহাসিক জয় উদযাপনে ফুটবল ঈশ্বর দিয়েগো ম্যারাডোনাকেও স্মরণ করতে ভুলেননি মেসি। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই দিয়েগো ওপর থেকে এটি উপভোগ করছেন। এই জয়টি তার জন্যও একটি বিশেষ উপহার। আজকের দিনটি অত্যন্ত স্মরণীয়।’

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই দলের ওপর পূর্ণ আস্থা ছিল জানিয়ে মেসি বলেন, ‘আমরা যা অনুভব করছি এবং যেভাবে সবকিছু ঘটছে, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সত্যি বলতে, বিশ্বকাপ শুরুর প্রথম মুহূর্ত থেকেই এই দলের ওপর আমার অগাধ বিশ্বাস ছিল এবং আমি জানতাম আমরা সেরা চারে থাকব। 

আমরা আরেকটি ফাইনালে পৌঁছেছি—টানা পাঁচবার আমরা বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠলাম। এটা অবিশ্বাস্য! এই দল আমাকে অবাক করে না, আমি এদের চিনি।’